Primary Viva 2022
যশোর
প্রশাসনিক কাঠামোর দিক থেকে যশোর বাংলাদেশের ১৩তম বৃহত্তম জেলা। খুলনা বিভাগের অধীন ৮টি উপজেলা নিয়ে এ জেলা গঠিত। জেলার মোট আয়তন২৫৯৪.৯৫ বর্গমাইল (৬৬৭৪ বর্গ কিলো মিটার)এর মধ্যে ৬০ বর্গমাইল নদী এলাকা। ২০১১ সালের আদম শুমারী অনুযায়ী যশোর জেলার মোট লোকসংখ্যা ২৭,৬৪,৫৪৭ জন। রাজধানী ঢাকা থেকে সড়ক পথে এ জেলার দূরত্ব প্রায় ২৭০ কিলোমিটার।
·
জনসংখ্যা (২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী)-মোট-২৭,৬৪,৫৪৭ জন
·
ভোটার সংখ্যা- মোট-১৯,৬০,১৭৩
·
নির্বাচনী এলাকা ৬টি
|
(১) ৮৫-যশোর-১ (শার্শা) |
|
(২) ৮৬-যশোর-২(ঝিকরাগাছা ও চৌগাছা) |
|
(৩) ৮৭-যশোর-৩ (যশোর সদর) |
|
(৪) ৮৮-যশোর-৪ (বাঘারপাড়া ও অভয়নগর, যশোর-৩ এর বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) |
|
(৫) ৮৯-যশোর-৫ (মনিরামপুর) |
|
(৬) ৯০-যশোর-৬(কেশবপুর ) |
·
জনসংখ্যারঘনত্ব-৯৪০ জন প্রতি বর্গ
কিলোমিটার
·
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার-১.১১%
·
শিক্ষার হার-৫৬.৫২%
|
·
উপজেলা |
|
৮ টি ১। যশোর সদর উপজেলা, যশোর। ২। শার্শা উপজেলা, যশোর। ৩। মনিরামপুর উপজেলা, যশোর। ৪। কেশবপুর উপজেলা, যশোর। ৫। ঝিকরগাছা উপজেলা, যশোর। ৬। চৌগাছা উপজেলা, যশোর। ৭। বাঘারপাড়া উপজেলা, যশোর। ৮। অভয়নগর উপজেলা, যশোর। |
|
·
পৌরসভা |
|
৮ টি |
|
·
ইউনিয়ন |
|
৯৩ টি |
|
·
গ্রাম |
|
১৪৭৭ টি |
|
·
থানা |
|
৯ টি |
|
·
পুলিশ ফাড়িঁ |
|
৩৫ টি |
|
·
মোট সীমান্তের দৈর্ঘ্য |
|
১৪২ কিলোমিটার |
শিক্ষাঃ
|
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ৬৭৬ সম্প্রতি সরকারিকরনঃ ৬০৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু ভর্তির হারঃ ১০০% প্রাথমিক শিক্ষা হতে ঝড়ে পড়া শিশু হারঃ ৮.১৫% প্রাথমিক উপবৃত্তি প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যাঃ ১,৭৭,৪৪৬ জন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ ৫২১ টি রেজি: কিন্ডারগার্টেনঃ ৩৫টি এবতেদায়ী মাদ্রাসাঃ ৪০টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ ৬৫ টি |
মহাবিদ্যালয়ঃ ৮৯ টি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ ১টি মেডিকেল কলেজঃ ১টি মাদ্রাসাঃ ৩১০ টি কলেজিয়েট হাইস্কুলঃ ১৫ টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রঃ ১ টি টিচার্স ট্রেনিং কলেজঃ ১ টি পিটিআইঃ ১ টি
|
স্বাস্থ্যঃ
|
সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালঃ ১ টি |
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সঃ ৮টি |
পরিবার পরিকল্পনাঃ
|
শিশু মৃত্যুর হার (প্রতি হাজারে)ঃ ৫১ জন মাতৃ-মৃত্যুর হার (প্রতি হাজারে)ঃ ০২ জন ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রঃ ৯১ টি
|
স্যাটেলাইট ক্লিনিকঃ ৫৯২ টি মাতৃমংগল কেন্দ্রঃ ১ টি জন্ম হার (বার্ষিক)ঃ ১০.৫৮% (প্রতি হাজারে) মৃত্যুর হার (বার্ষিক)ঃ ২.৪০% (প্রতি হাজারে) স্যানিটেশনঃ ৯৫.১৯ % |
|
যোগাযোগঃ রেল পথঃ ৯১ কিঃ মিঃ রেল ষ্টেশনঃ ১১ টি খাদ্যঃ এলএসডি সংখ্যাঃ ১০ টি গুদাম সংখ্যাঃ ৩৪ টি
|
শিল্পঃ ক্ষুদ্র শিল্পঃ ১২৩ টি ভারী শিল্পঃ ৯ টি প্রধান প্রধান শিল্প কারখানাঃ সার, সিমেন্ট, পাট, বস্ত্র, চামড়া, ডিম উৎপাদন, বিড়ি উৎপাদন, মৎস্য হ্যাচারী, বল সাবান, ডাল ও ময়দা মিল। |
ভৌগলিক পরিচিতি:
বৃহত্তর যশোর জেলা ৮৮°৪০' হতে ৮৯°৫০' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২২°৪৭' হতে ২৩°৪৭' উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত। যশোর একটি মৃতপ্রায় ব-দ্বীপ, পদ্মা ও হুগলী নদীর মধ্যবর্তী সুবৃহৎ ব-দ্বীপটির একটি অংশ হচ্ছে যশোর। যশোর জেলায় অবস্থিত নদী সমূহের মধ্যে ভৈরব, চিত্রা, কপোতাক্ষ, হরিহর, দাদরা, বেত্রাবতী, কোদলা ও ইছামতি অন্যতম।
ব্রান্ডিং:
জেলার পটভূমি:
প্রতিষ্ঠাকালের দিক থেকে যশোর বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন জেলা। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম উল্লেখযোগ্য এ জেলাটির সৃষ্টি হয়েছিল আজ থেকে প্রায় দুইশত বৎসর পূর্বে ১৭৮৬ সালে
·
প্রথম ও দ্বিতীয় শতাব্দীতে যশোরসহ সমগ্র বঙ্গ একটি স্বাধীন এবং শক্তিশালী রাজ্য ছিল।
·
খ্রীস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীর টলেমীর মানচিত্রে তার স্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায়। পরবর্তীকালের পঞ্চম শতাব্দী পর্যন্তও যশোর বঙ্গের অধীন ছিল বলে অনুমান করা হয়।
·
খ্রীষ্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীর প্রথম দিকে উত্তর ভারতের গুপ্ত সম্রাজ্যের সমুদ্র গুপ্ত তার সম্রাজ্য বঙ্গদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত করলে যশোরসহ সন্নিহিত অঞ্চল তার সম্রাজ্যভুক্ত হয় ষষ্ঠ শতাব্দীর মধ্যভাগে গুপ্ত সম্রাজ্যের পতন ঘটলে যশোর পুনরায় ভাংগা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
·
সপ্তম শতাব্দীতে গৌড়ের সম্রাট শশাংক কর্তৃক বঙ্গদেশ অধিকৃত হলে যশোর তার সম্রাজ্যভুক্ত হয়। শশাংকের কাছ থেকে সম্রাট হর্ষবর্ধন এ অঞ্চলের শাসন ক্ষমতা অধিকার করেন।
·
রাজা যশোরমণি নামে একজন রাজা বৌদ্ধদের কাছ থেকে এ অঞ্চলের শাসন ভার অধিকার করেন। যশোরমণির পরে পাল রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। পাল রাজাগণ ১০৮০ সাল পর্যন্ত যশোরসহ সন্নিহিত অঞ্চল তাদের শাসনক্ষেত্রে অন্তর্ভূক্ত রাখেন। পাল রাজত্বের পর বর্মন রাজাগণ ১১৫০ সালে পর্যন্ত যশোর শাসন করে বলে জানা যায়। এরপর এখানে সেন রাজাগণ তাদের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত করে। সেন রাজাগণ ১২০৪ সাল পর্যন্ত যশোর তাঁদের শাসনকাল অব্যাহত রাখে ।
·
চতুর্দশ শতাব্দীর দীর্ঘ সময় পর্যন্ত যশোর ছিল দিল্লীর সম্রাটগণ কর্তৃক নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা শাসিত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। উক্ত শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ নামক একজন স্বাধীন নৃপতি বংগদেশ জয় করলে যশোর তাঁর শাসিত অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হয়।
·
১৪৮৭ সালে ইলিয়াস শাহী বংশের পতন ঘটিয়ে দাস বংশ তাদের রাজত্ব শুরু করে। দাসরাজগণ ১৪৯৩ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত এখানে তাঁদের অধিকার টিকিয়ে রাখেন। দাস বংশের পতনের পর যশোর সুলতান আলাউদ্দীন হুসেন শাহের শাসনাধীন চলে যায়। ১৫৩৮ সাল পর্যন্ত হুসেনশাহী বংশ এ অঞ্চলের তাঁর শাসনকাল অব্যাহত রাখেন।
·
পরবর্তীকালের ইতিহাসের অন্যতম প্রসিদ্ধ পাঠান সম্রাট শেরশাহ বঙ্গদেশাধিকার করলে যশোর তাঁর সম্রাজ্যভুক্ত হয়। পাঠান রাজত্বের পর বিখ্যাত মোগল রাজবংশ পাক-ভারত উপমহাদেশের বিশাল অঞ্চল জুড়ে তাদের স্মরণীয় শাসনকালের সূচনা করে। এ সময় বিখ্যাত মোগল সম্রাট আকবর প্রথম এই অঞ্চলে ফৌজদার নিযুক্ত করে শাসনের ব্যবস্থা করেন। যশোরের প্রথম ফৌজদার ছিলেন ইনায়েত খাঁ। এরপর সরফরাজ খাঁ, নুরুল্লা খাঁ পর্যায়ক্রমে যশোরের ফৌজদার নিযুক্ত হয়ে আসেন।
·
ষোড়শ শতাব্দীর শেষ ভাগে গৌড়ের শাসনকর্তা দাউদের একজন বিশ্বস্ত সহযোগী শ্রীহরি ১৫৭৪ সালের যশোরের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং স্বাধীন যশোর রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন। ইতিহাসে এই শ্রীহরিই মহারাজ বিক্রমাদিত্য নামে পরিচিত। বিক্রমাদিত্য গৌড়ের রাজা দাউদ কর্তৃক প্রদত্ত উপাধি। বিক্রমাদিত্যের রাজধানী ঈশ্বরপুর এবং তেকাটিয়া ছিল বলে জানা যায়। ১৫৮৬ খ্রীষ্টাব্দে বিক্রমাদিত্য মৃত্যুবরণ করেন। বিক্রমাদিত্যের শাসনকালে তার বিশ্বস্ত সহযোগী ও জ্ঞাতিভ্রাতা বসন্ত রায়ই যশোরের প্রকৃত শাসক ছিলেন।
·
বিক্রমাদিত্যের মৃত্যুর কয়েক বছর পর ১৫৮৭ সালে তদীয় পুত্র প্রতাপাদিত্যকে বসন্ত রায় যশোরের রাজা বলে ঘোষণা করেন। প্রতাপাদিত্যের প্রকৃত নাম গোপীনাথ।
·
১৮৭৬ থেকে ১৯৮৪ অব্যাহতভাবে চলতে থাকে যশোরের গঠন ও পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়া। ১৯৬০ সালে জেলার মাগুরা মহকুমার মহম্মদপুর থানার অংশ এবং নড়াইলের আলফাডাংগা থানাকে ফরিদপুর জেলার সংগে যুক্ত করা হয়। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রশাসনিক উন্নয়নকল্পে আজকের যশোরকে ভেংগে পুনর্গঠন করেছে।
যশোর রাজ্যের প্রতিষ্ঠা
ও নামকরণের
ইতিহাস:
যশোর জেলার নামকরণ সম্পর্কিত আরেকটি ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন প্রখ্যাত ইংরেজ ঐতিহাসিক ও প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজেন্ডার কার্ণিংহাম। তিনি লিখেছেন-‘যশোর’ শব্দটি আরবী ভাষায় ‘জসর’ শব্দের রূপামত্মরিত রূপ। আরবী ‘জসর’ শব্দের বাংলা অর্থ হলো-সেতু বা সাঁকো। সমগ্র জসর অঞ্চলে মুসলিম অভিযানের প্রাক্কালে অসংখ্য খাল-বিল-নদ-নদী থাকার কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য ঐ সকল নদ-নদীর উপর সেতু বা সাঁকোর প্রয়োজন ও ব্যবহার ছিল। অসংখ্য সাঁকো ও সেতুর ব্যবহার থাকার কারণে নবাগত মুসলমানেরা এতদাঞ্চলকে ‘জসর’ বলে অভিহিত করে। সেই ‘জসর’ শব্দ পরিবর্তিত হয়ে জসর-যশর-যশোর- যশোহর হয়েছে। জসর জেলার নামকরণ নিয়ে আরও অনেকে আলোচনা করেছেন।
খেলাধুলা
ও বিনোদনঃ
পুরাকীর্তির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:
·
সাতক্ষীরা হাউজ:১৯২১
সাল থেকে সাতক্ষীরা হাউজ নামে পরিচিত ভবনটি যশোর জেলা প্রশাসকের বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত
হয়ে আসছে।
·
কালেক্টরেট ভবন:১৮৮৫
খ্রিস্টাব্দে বর্তমান কালেক্টরেট ভবনটি একতলা হিসেবে নির্মিত হয়েছিল
·
যশোর সার্কিট হাউজ
·
মাইকেল মধুসূদন দত্তের
পৈত্রিক বাড়ী
·
মীর্জানগর হাম্মামখানা
·
গরীবশাহ মাজার
·
গদখালী কালি মন্দির
·
ইমামবাড়ী
·
ভরত
ভায়নার দেউড়ী
যশোরের ঐহিত্য:
·
¨সাতক্ষীরা হাউজ-জেলা প্রশাসকের বাংলো, যশোর
·
¨কালেক্টরেট ভবন, দড়াটানা, যশোর
·
¨যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, উপশহর, যশোর
·
¨মারকাজ মসজিদ, উপশহর, যশোর
·
¨শতাব্দী প্রাচীন যশোর পৌরসভা, লালদীঘি পুকুর পাড়
·
¨রামনারায়ন পাবলিক লাইব্রেরী,
·
¨নক্সী কাঁথা ও যশোর স্টীচ
·
¨যশোর ইন্সটিটিউট পাবলিক লাইব্রেরী, টাউন হল ময়দান সংলগ্ন
·
¨খেজুরের গুড়সহ রসের পিঠা, পায়েশ এ জনপদের মিষ্ঠান্ন ঐতিহ্য
·
¨যশোরের কই মাছ
দর্শনীয়
স্থান
·
ঝাপা বাওড় -রাজগঞ্জ বাজার, মণিরামপুর উপজেলা।
·
দমদম পীরের ডিবি-ভোজগাতী ইউপির অধীন।
·
গদাধরপুর বাওড়-চৌগাছা উপজেলা
·
মহাকবি মাইকেল মধু সূদন দত্তের বাড়ি-সাগরদাঁড়ী-মাইকেল মধুসূধন দত্তের পৈত্রিক জন্ম ভূমি। মধুপল্লী-কেশবপুর- মহাকবি মাইকেল মধুসূধন দত্তের পৈত্রিক জন্ম ভূমি।
·
মীর্জানগর হাম্মামখানা-কেশবপুর হতে ৭ কি.মি. পশ্চিমে কপোতাক্ষী ও বুড়িভদ্রা নদীর সঙ্গমস্থল ত্রিমোহিনী নামক স্থানে
·
কালুডাংগা মন্দির-এই মন্দির দোহাকুলা ইউনিয়নে
·
চাঁচড়ার মৎস উৎপাদন কেন্দ্ৰ
·
বেনাপোল স্থল বন্দর
·
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের মাজার।
·
চাঁচড়া রাজবাড়ী
·
যশোর বোট ক্লাব
·
বিনোদিয়া ফ্যামিলি পার্ক
·
গদখালীর ফুলের বাগান
শিক্ষায়:
মানুষের মৌলিক চাহিদার অন্যতম উপাদান হচ্ছে শিক্ষা। যশোরে শিক্ষার বিকাশ ও উৎকর্ষ সাধন সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই শুরু হয়েছে। দেড়শত বছরের ও বেশী সময় ধরে এ উন্নয়নের ধারা প্রবাহমান। তার পূর্বে সুলতানী ও মোঘল আমলে এ অঞ্চলে মুসলমান ও হিন্দুদের জন্য উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল যথাক্রমে মাদ্রাসা ও টোল। উচ্চ ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিরাই নিজ নিজ প্রচেষ্টায় মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে পরিচালনা করতেন। মাদ্রাসা শিক্ষার মাধ্যম ছিল সংস্কৃত। কিন্তু সরকারী চাকুরীর সুবিধার্থে হিন্দু ছাত্ররা ও মাদ্রাসায় মাদ্রাসায় শিক্ষা গ্রহন করত। ঊনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে বৃট্টিশ পরিবর্তিত সামাজিক ব্যবস্থায় এ শিক্ষা ব্যবস্থা অচল বলে প্রতিয়মান হয়, ফলে গড়ে ওঠে পাশ্চাত্য ভাবধারায় আধুনিক স্কুল কলেজ। এ উপমহাদেশে যে প্রথম চারটি স্কুল প্রতিষ্ঠা হয় তার মধ্যে যশোর জেলা স্কুল অন্যতম, এটি
প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৩৮ সালে। ১৩২ জন শিক্ষার্থী নিয়ে স্থানীয় জমিদার পত্নী ক্যাত্যারিনীর কাছারীতে এর কার্যক্রম শুরু হয়। তখন এর নাম ছিল "যশোর সরকারী মডেল স্কুল"। এছাড়া রয়েছে সম্মিলনী ইন্সটিটিউট, মুনসী মেহেরুল্লাহ একাডেমী, বসুনদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জংগল বাধাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়( মোমেন গালার্স স্কুল), মধুসূদন তারা প্রসন্ন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, দাউদ পাবলিক স্কুল, ছাতিয়ানতলা চুড়ামনকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আরো অনেক। এ সকল বিদ্যালয়ে একই শিক্ষাক্রম চালুর প্রয়োজনে বৃহত্তর যশোর জেলায় ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৬৩ সালের এক সরকারী আদেশের মাধ্যমে ১৯৬৩ সালে অক্টোবর মাসে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর প্রতিষ্ঠিত হয়। উচ্চ শিক্ষার জন্য যশোরে রয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, সিটি কলেজ, সরকারী এম.এম কলেজ, যশোর। নওয়াপাড়া কলেজ, শহীদ মসিউর রহমান ডিগ্রী কলেজ, বি. এ. এফ শাহীন কলেজ উল্লোখযোগ্য। যশোরের শিক্ষা বিস্তাবে যে সব মহামতির অবদান রয়েছে তাঁদের মধ্যে ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, সতীশ চন্দ্ৰ নাথ, মোঃ আব্দুল রউফ, মোঃ মোবারক আলী, আনসারী, অধ্যক্ষ মুহম্মদ আব্দুল হাই, অধ্যক্ষ মোঃ মোখলেসুর রহমান, মোলভী মোঃ আককাচ আলী, প্রবোধ কুমার মিত্র, মনোয়ার খাতুন, ক্যাপ্টেন করিম উল্লেখযোগ্য।
ভাষা ও সংস্কৃতিঃ
প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব: (MrS BRA)3/2
·
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত
যশোর
জেলার কেশবপুর থানার সাগরদাঁড়ী গ্রামে ১৮২৪ খ্রিঃ ২৫ জানুয়ারী জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৭৩ সালের ২৯ জুন কলিকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।মহাকবি বাংলা সাহিত্যের অমিত্রাক্ষর
ছন্দের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম স্রষ্ঠা মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের
কালজয়ী রচনাবলীর অন্যতম হলো- মেঘনাদবধ কাব্য, Captive Lady,শর্মিষ্ঠা, কৃষ্ণকুমারী,
বুড়ো শালিকের ঘাঁড়ে রোঁ, তিলোত্তমা সম্ভব, বীরাঙ্গণা ইত্যাদি তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।
·
এ্যাডভোকেট শহীদ মশিউর রহমান
১৯৪৯ সালে মাত্র ৩২ বছর বয়সে তিনি যশোর জেলা বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৭০ সালে সাবেক পাকিস্তানের শেষ নির্বাচনে জনাব মশিউর রহমান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। ১৯৫৪ সালে তিনি যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে সাবেক পূর্বপাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং শেরে বাংলা ফজলুল হকের মন্ত্রীসভায় বিচার ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান।
·
সাংবাদিক ও সাহিত্যিক শিশির কুমার ঘোষ
১৮৪০ সালে যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানার পলুয়া মাগুরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে এবং জনগণকে এই অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে আপোষহীন সংগ্রাম করে যিনি যশোস্বী হয়ে আছেন।
·
প্রফেসর শরীফ হোসেন (১৯৩৬-২০০৭)
অধ্যাপক শরীফ হোসেন সমাজ কর্মে আমাদের অনুপ্রেরণা। বাঁচার ইঙ্গিত। ভাগ্যহীনদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলের অভিভাবক। ১৯৭৪ সালে তাঁর প্রতিষ্ঠিত এতিমখানা, ১৯৮৭ সালে দরিদ্র ছাত্রদের লিল্লাহ-ট্রাস্ট ও ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বহুমুখী সমাজ কল্যাণ সংস্থা সন্দীপন অনন্য উদাহরণ।
·
সংগ্রামী মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন (১৯১৬-১৯৯৭)
সংগ্রামী জনাব মোঃ বেলায়েত হোসেন অবিভক্ত বাংলায় তৎকালীন যশোর জেলায় মুসলমানদের অগ্রযাত্রা সবিশেষ অবদান রাখেন।
·
বেগম আয়েশা সরদার (নারী আন্দোলনের নেত্রী, ১৯২৭-১৯৮৮)
নারী আন্দোলনের একজন সফল নেত্রী।যশোর মহিলা কলেজ, কেশবপুর বালিকা বিদ্যালয়, এস এস ঘোপ প্রাথমিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, যশোর নিউ টাউন বালিকা বিদ্যালয়, হুদো প্রাইমারী ও জুনিয়র হাইস্কুল, নারিকেলবাড়ীয়া বালিকা বিদ্যালয়
·
শিক্ষাবিদ আব্দুর রউফ (১৯০২-১৯৭১)
বইগুলির মধ্যে আছে পথের ডাকে, অগ্র-সেতার, যুগের ডাক, স্বাধীনতার পথ, দি কাল অব দি ডে, তিন জাতের মেয়ে। দি হ্যাপিয়ার হিউম্যানিটি মৃত্যুর পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত তাঁর হাতে ছিল। তিনি পাকিস্তান লেখক সংঘের আজীবন সদস্য ছিলেন। তিনি কর্মজীবনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেছেন এবং ১৯৫৭ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
·
মোশাররফ হোসেন
১৯৬৬ সালে যশোর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।১৯৭০ সালের কাউন্সিলে মোশাররফ
হোসেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।
মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের ইতিহাস
দেশের প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা
যশোর, ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী যশোরে পরাজিত হয়। ৬ ডিসেম্বর
সকালে ও দুপুরে দুই দফায় প্রচন্ড লড়াই হয় ভারতীয় ৯ম পদাতিক ও ৪র্থ মাউন্টেন ডিভিশনের
সাথে পাকিস্তানী ৯ম ডিভিশনের। সুরক্ষিত পাক দুর্গ বলে খ্যাত যশোর ক্যান্টনমেন্টে পর্যাপ্ত
সৈন্য না থাকায় পাকিস্তানী সেনারা হতোদ্যম হয়ে যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে পালাতে থাকে। মুখোমুখি
সে যুদ্ধে পাকসেনাদের অবস্থান ছিল যশোর ক্যান্টনমেন্টের ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে আফরায়।
বাংলাদেশের ৮ কিলোমিটার অভ্যন্তরে গরিবপুরে মিত্র বাহিনী অবস্থান নেয়। আফরার প্রতিরোধ
ভেঙ্গে পড়ায় পাকসেনাদের পালানো ছাড়া গত্যন্তর থাকে না এবং পাক বাহিনী যশোর ক্যান্টনমেন্ট
ছেড়ে খুলনায় পালিয়ে যায়। মুক্ত হয় যশোর।
৭ জন বীরশ্রেষ্ঠর মধ্যে ২-জনই
বৃহত্তর যশোর জেলার কৃতি সন্তান। এ আমাদের পরম অহংকার। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক
নূর মোহাম্মদ শেখ (১৯৩৬-১৯৭১) (বর্তমান নড়াইল)। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সেপাহী হামিদুর রহমান(১৯৫৩-১৯৭১)(বর্তমান
ঝিনাইদহ)
যশোর জেলার খেতাবপ্রাপ্ত
বীরমুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাঃ (RaJU NSI)
·
**জনাব মোঃ নূরুল
ইসলাম, বীর উত্তম
·
**জনাব মোঃ শফিয়ার
রহমান, বীরপ্রতিক
·
**জনাব এ কে এম ইসাহক,
বীর প্রতিক
·
জনাব মোঃ আব্দুল জলিল, বীর প্রতিক(ঝিকরগাছা, যশোর।)
·
জনাব হাজারী লাল তরফদার,
বীর প্রতিক
·
মোহাম্মদ উল্লাহ,
বীর প্রতিক
·
জনাব মোহাম্মদ রেজাউল
করিম, বীর প্রতিক
·
জনাব অনিসুব কাদির
- খাজা সাঈদ শাহ
- ডা. ইব্রাহীম
- খালেক মোড়ল
- আমজাদ মোল্লা ও কায়েম আলী
- আফছার
- মেহের
শিল্প বানিজ্যঃ
এই অঞ্চলের অধিবাসীদের জীবনধারণের ক্ষেত্রে কৃষিই প্রধান পেশা। এখানে শিল্পের কোন ভূমিকা তেমন নেই বললেই চলে। জেলার জনসংখ্যার প্রায় শতকরা ১৪ ভাগ লোক শিল্পের সাথে জড়িত। বর্তমানে চালু শিল্পগুলির মধ্যে কুটির শিল্পই প্রধান্য লাভ করেছে। যারফলে মোট শিল্প শ্রমিকের শতকরা ৯০ ভাগেরও বেশী এই কুটির শিল্পে নিয়োজত আছে। বর্তমানে যে কয়টি বৃহৎ শিল্প এখানে গড়ে উঠেছে সেগুলো হচ্ছে যশোর জুট ইন্ডাষ্ট্রীজ লিমিটেড, কার্পেটিং জুট মিলস্ এবং বেঙ্গল টেক্সাটাইল মিলস্ লিমিটেড। সবকটি শিল্প প্রতিষ্ঠানই অভয়নগর থানাধীন নোয়াপাড়ায় অবস্থিত। জেলার অন্যান্য থানার চেয়ে শিল্পের দিক দিয়ে অভয়নগর থানা অনেক অগ্রসর।
ঝিকরগাছা
|
জেলা |
: |
যশোর |
|
সীমানা |
: |
পূর্বে-মনিরামপুর উপজেলা, পশ্চিমে- শার্শা উপজেলা, উত্তরে-চৌগাছা উপজেলা এবং দক্ষিনে-সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলা। |
|
জেলা সদর হতে দূরত্ব |
: |
১৫ কিলোমিটার |
|
আয়তন |
: |
৭৬০৯৮'৯২(একর) এবং ৩০৮'০৮ বর্গ কিলোমিটার। |
|
জনসংখ্যা |
: |
২,৭১,০১৪ জন (২০০১ সালের আদম শুমারী অনুযায়ী)। |
|
লোক সংখ্যার ঘনত্ব |
: |
|
|
মোট ভোটার সংখ্যা |
: |
১,৭৬,২৮৪ জন |
|
ব জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার |
: |
১.১০% |
|
নির্বাচনী এলাকা |
: |
যশোর-২ |
|
গ্রাম |
: |
১৭৯ টি |
|
মৌজা |
: |
১৬৩ টি |
|
ইউনিয়ন |
: |
১১ টি |
|
পৌরসভা |
: |
০১ টি |
|
নদ-নদী |
: |
২ টি (কপোতাক্ষ ও বেতনা নদী) |
|
ব্যাংক শাখা |
: |
৮ টি |
|
পোস্ট অফিস/সাব পোঃ অফিস |
: |
১০ টি |
|
টেলিফোন এক্সচেঞ্জ |
: |
০১ টি |
|
ক্ষুদ্র কুটির শিল্প |
: |
২৫০ টি |
|
বৃহৎ শিল্প |
: |
২০ টি |
শিক্ষা সংক্রান্ত
|
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় |
: |
৭২ টি |
|
বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় |
: |
৩৯ টি |
|
কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় |
: |
১১ টি |
|
জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় |
: |
৮ টি |
|
উচ্চ বিদ্যালয়(সহশিক্ষা |
: |
৪৪ টি |
|
উচ্চ বিদ্যালয়(বালিকা) |
: |
৭ টি |
|
দাখিল মাদ্রাসা |
: |
২৮ টি |
|
আলিম মাদ্রাসা |
: |
৪ টি |
|
ফাজিল মাদ্রাসা |
: |
১ টি |
|
কামিল মাদ্রাসা |
: |
১ টি |
|
কলেজ(সহপাঠ) |
: |
৭ টি |
|
কলেজ(বালিকা) |
: |
২ টি |
|
শিক্ষার হার |
: |
৬৫% |
স্বাস্থ্য সংক্রান্ত
|
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স |
: |
০১ টি |
|
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র |
: |
১০ টি |
|
বেডের সংখ্যা |
: |
৩১ টি |
|
ডাক্তারের মঞ্জুরীকৃত পদ সংখ্যা |
: |
২০ টি |
|
কর্মরত ডাক্তারের সংখ্যা |
: |
মোট= ৩৪ টি |
|
সিনিয়র নার্স সংখ্যা |
: |
১০ জন। কর্মরত= জন |
|
সহকারী নার্স সংখ্যা |
: |
০১ জন |
|
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র |
: |
১০ টি |
|
পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক |
: |
১০ টি |
|
|
|
|
|
যোগাযোগ সংক্রান্ত |
|
|
|
পাকা রাস্তা |
: |
১৪৭.০০ কিঃমিঃ |
|
অর্ধ পাকা রাস্তা |
: |
৮.০০ কিঃমিঃ |
ভৌগলিক পরিচিতি
ঝিকরগাছা উপজেলার ভৌগলিক অবস্থান উত্তর অক্ষাংশের ৮৯°০৪' এবং ২২°৫৭' উত্তর অক্ষাংশ এর মধ্যে ৮৯°০৭' এবং ৮৯°২২' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ মধ্যে। এ উপজেলার উত্তরে চৌগাছা উপজেলা, দক্ষিণে
সাতক্ষিরা জেলার কলারোয়া উপজেলা, পশ্চিমে সারসা উপজেলা, পূর্বে যশোর সদর উপজেলা।
ঝিকরগাছার ইতিহাস
অধিকাংশের অভিমত জিংকর নামক
একজন ইংরেজ এখানে নীল কুঠি স্থাপন করেছিলেন। এই নীল কুঠিকে ঘিরে একটি বাজার স্থাপিত
হয়। জিংকর সাহেবের নাম অনুসারে সেই বাজারের নাম হয় জিংকরগাছা বাজার। অতীতে বাজারকে
গঞ্জ বলা হতো। গঞ্জ থেকে গাছার উৎপত্তি হয়েছে। ক্রম বিবর্তনে হয় ঝিকরগাছা বাজার। পরবর্তীতে থানার নাম হয় ঝিকরগাছা।যশোর
জেলার সাবেক কালেক্টর জেমস ওয়েস্ট ল্যান্ড এর ‘A Report on the district of
Jessore’ থেকে জানা যায় Jenkings নামক একজন ইংরেজ নীলকর গদখালীতে ১৮০০ সালে একটি নীলকুঠি
স্থাপন করেছিলেন। স্বাভাবিকভাবে এখানে ধারনা করা যায় Jhinkar (জিংকর) না হয়ে
Jenkings (জেনকিনস) থেকেও ঝিকরগাছা নামের উৎপত্তি হতে পারে।
জেনকিনস সাহেব এখানে নীল কুঠি স্থাপন করার পর আর এক ইংরেজ ম্যাকানজি সাহেব নীল কুঠির সাথে অন্যান্য কলকারখানা স্থাপন করে গদখালীর উন্নয়ন সাধন করেন। এই জন্যে ম্যাকানজি সাহেবকে ঝিকরগাছার রুপকার বলা হয়। ঝিকরগাছার অপর নাম ম্যাকানজিগঞ্জ।
ইউনিয়ন সমূহ
·
১ নং গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়ন
·
২ নং মাগুরা ইউনিয়ন
·
৩ নং শিমুলিয়া ইউনিয়ন
·
৪ নং গদখালী ইউনিয়ন
·
৫ নং পানিসারাইউনিয়ন
·
৬ নং ঝিকরগাছা ইউনিয়ন
·
৭ নং নাভারণ ইউনিয়ন
·
৮ নং নির্বাসখোলা ইউনিয়ন
·
৯ নং হাজিরবাগ ইউনিয়ন
·
১০ নং শংকরপুর ইউনিয়ন
·
১১ নং বাঁকড়া ইউনিয়ন
উপজেলার ঐতিহ্য
০১. ঝিকরগাছা উপজেলার উল্লেখযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ হল দেশীয় ও বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির ফুল ।
০২. গদখালী ইউনিয়নের শিমুলিয়া মিশন
০২. গদখালী কালি মন্দির
০৪. মাইকেল মধুসূন দত্তের সৃতি বিজরিত কপোতক্ষ নদ
দর্শনীয় স্থান
·
কপোতাক্ষ নদ
·
শিমুলিয়ায় দেড়'শ বছরের পুরাতন গীর্জা
·
গদখালি কালি মন্দির
·
ঝিকরগাছার ফুল চাষ
·
কয়েমকোলা মসজিদ
খেলাধুলা, বিনোদন ও সভ্যতা
ঝিকরগাছা
উপজেলা স্টেডিয়াম-শহরের
প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত।
প্রতি
বছর এ স্টেডিয়ামে নিম্নলিখিত
ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
হয়ঃ
(ক)গোল্ডকাপ
ফুটবল
(খ)
প্রিমিয়ার ফুটবল লীগ
(গ)
১ম বিভাগ ফুটবল
লীগ
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা (ASHA)
·
জনাব অনিসুব কাদির
·
মোঃ মন্টু
· মোঃ আবুল হোসেন
মোঃ হোসেন উদ্দিন হোসেন
- মোঃ শামসুর রহমান
·
মোঃ আব্দুর রাজ্জাক
·
মোঃ ইসলাম উদ্দিন
Introduce Youre self
It's my pleasure to introduce myself infront of you.This is Mohammad Sunmoon Islam. I am a native of Digital District of Bangladesh, Joshone. I have complited my post graduation in microbiology from Stamford University, Bangladesh and obtained my bachelor degree in Health Tech. form Institute of Health Technology under Dhakaa University. I am the only child of my parents. I am hand working and quick learnere along side good communication skill which enables me to convince people in my favoure through logical argument and I'm positive too. Talking about my weekness I'm emmotional and never say no those who need help. I like to spend my past time in listering music and gardening. As a freshere, I don't have any work experience, but I will Prove my self once the opportunity come
AIM
Well that was just a brief summary of my journy so
far. How even if you like to know any further detail. I will be glad to share
it.
My immidiate goal is to get that job and ultimate goal is to. Pre-covid period,I used to be a scien Assistent teachers in a Higher Secondary school at Dhaka.
VIVA
প্রধানমন্ত্রী : শেখ হাসিনা (১৪ তম)
রাষ্ট্রপতি : আব্দুল
হামিদ (২১তম)
প্রধান
বিচারপতিঃ হাসান ফয়েজ
সিদ্দিকী (২৩তম)
অ্যাটর্নি
জেনারেলঃ এ এম আমিন উদ্দিন।
( ১৬তম)
বাংলাদেশ
ব্যাংকের গভর্নরঃ আব্দুর রউফ তালুকদার ( ১২তম)
প্রধান নির্বাচন কমিশনারঃ কাজী হাবিবুল আউয়াল। (১৩তম)
পিএসসির
চেয়ারম্যানঃ সোহরাব হোসাইন (১৩তম)
জাতীয়
সংসদের স্পিকারঃ শিরীন শারমিন চৌধুরী
(১৩তম)
মহা
হিসাবনিরীক্ষকঃ মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী (১২তম)
পুলিশের মহাপরিদর্শকঃ ড. বেনজীর আহমেদ(৩০তম)
সেনাপ্রধানঃ জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
বিমান
বাহিনীর প্রধানঃ এয়ার মার্শাল শেখ আব্দুল
হান্নান
নৌবাহিনীর
প্রধানঃ অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন
ইকবাল
শিক্ষা মন্ত্রনালয়
·
শিক্ষা মন্ত্রীঃ ডা. দীপু মনি
·
শিক্ষা উপমন্ত্রীঃ মহিবুল হাসান চৌধুরী
প্রাথমিক
ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়
·
প্রতিমন্ত্রীঃ জনাব মোঃ জাকির হোসেন
·
সচিবঃ জনাব মোঃ আমিনুল ইসলাম খান
প্রাথমিক
শিক্ষা অধিদপ্তর
·
মহাপরিচালকঃ আলমগীর মুহম্মদ মনসুরুল আলম
·
সচিবের :জনাব হাসিবুল আলম
জাতীয়
প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)মহাপরিচালকঃ
মো: শাহ আলম
যশোর জেলা
জেলা
প্রশাসক- মো: তমিজুল ইসলাম
খান
জেলা
শিক্ষা অফিসারঃ এ কে এম গোলাম
আযম
জেলা
প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারঃ জনাব শেখ অহিদুল আলম
উপজেলা
শিক্ষা অফিসারঃ জনাব ইসমত আরা পারভীন
এই দায়িত্ববোধ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পরবর্তীকালে ১৯৭২ সালে প্রণীত সংবিধানে প্রাথমিক শিক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭নং অনুচ্ছেদের ক, খ ও গ-এই তিনটি উপ-অনুচ্ছেদে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে বলা হয়েছে। সংবিধান অনুসারে সবার জন্য একই ধারার মানসম্পন্ন বুনিয়াদি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়াও ১৯৭৪ সালের প্রথম জাতীয় শিক্ষা কমিটি প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করেছিল। ২য় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (১৯৮১-৮৫) সালে প্রথম সর্বজনীন অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন করা হয়। এরপর ১৯৯০ সালে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়। এই আইনবলে ১৯৯২ সালে দেশের ৬৮টি থানায় আইনটি চালু করা হয়। ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সারাদেশে আইনটি কার্যকর করা হয়। ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতিতে ২০১৪ সালের মধ্যে নিরক্ষরতা দূরীকরণের কথা বলা হয়।
fwZ©i eqm
১।eZ©gv‡b
Pvjy 6+ eQi eq‡m cÖ_g †kªYx‡Z fwZ©i wbqg eva¨Zvg~jK Kiv n‡e|
২।
cÖv_wgK wk¶vq wk¶K-wk¶v_x©i AbycvZ n‡e 1 : 30| G j¶¨ ch©vqµ‡g 2018 mv‡ji g‡a¨ AR©b
Kiv n‡e|
জাতীয় স্কুল মিল নীতি-২০১৯, আওতায় ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের মধ্যে
সারাদেশের স্কুলগুলোতে মিড ডে মিল চালু হবে।
জাতীয় অধ্যাপক
বাংলাদেশে
সর্বপ্রথম ১৯৭৫ সালের ১৭ মার্চ জাতীয় অধ্যাপক পদে তিন জনকে নিয়োগ দেয়া হয়।তারা
হলেন, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক ,কাজী মোতাহার হোসেন।
বাংলাদেশের
বর্তমানে জাতীয় অধ্যাপক-
·
অধ্যাপক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন
·
এ কে আজাদ খান
·
অধ্যাপক মাহমুদ হাসান।
বর্তমানে
বাংলাদেশের ৮[পদ্মা বিভাগ (পাঁচ জেলা ফরিদপুর, শরীয়তপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুর)-মেঘনা
বিভাগ (কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চাঁদপুর ,
নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর )টি বিভাগের অন্তর্গত ৬৪টি জেলায়
মোট ৪৯৫ টি উপজেলা রয়েছে। সর্বশেষ গঠিত উপজেলা সুনামগঞ্জের মধ্যনগর । পৌরসভাঃ ৩২৮
থানাঃ৬৫২ উনিয়নঃ৪৫৫৪
“National
Implementation Committee for Administrative Reorganisation (Nicar)
★ শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্য ★
·
DPED এর পূর্ণরূপ কী?উঃDiploma in
primary education.
·
ডিপিএড কোর্সের মেয়াদ কত?উঃ১৮ মাস
·
ঢাকা পিটিআই এর অফিসিয়াল নাম? উঃপ্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট
·
NCTB এর পূর্ণরূপ কি?উঃNation
curriculum and textbook board.
·
IER এর পূর্ণরূপ ?উঃinstitute of education and research.
·
DPED এ কয়টি বিষয় পড়ানো হয়?উঃ১৪
·
প্রাথমিক শিক্ষার মোট বিষয় কতটি? উঃ১২ টি
·
প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণীসংখ্যা কত?উঃ৬
·
What is school?Ans: Service point (or campus that
is part of a larger educational institution) that provides instructional or
education related services to a group of pupils.( The United Nations Educational,
Scientific and Cultural Organization)
·
শিক্ষার ধারা কয়টি? কি কি?উঃ৩ টি
·
জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কয়টি? উঃ৩০ টি
·
শিক্ষক যোগ্যতা কাকে বলে?উঃএকজন শিক্ষকের যে পেশাগত জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি
থাকে। তাকে শিক্ষক যোগ্যতা বলে।
-জাতীয় বই দিবস = ১ জানুয়ারি
·
প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি করা হয় - ১৯৭৪ সালে। প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি চালু হয় - ২০০২ সালে। প্রাথমিক শিক্ষার বয়সসীমা - ৬-১১ বছর।
·
বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী শিশুর বয়স - ০ থেকে ১৮ বছর। বাংলাদেশের শিক্ষার
স্তর - ৩টি। প্রাথমবক শিক্ষার জন্য নির্ধারিত
বয়সসীমা - ৬-১০ বছর। প্রাক- প্রাথমিকের বয়সসীমা
- ৩-৫ বছর।
·
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত শিক্ষা কমিশন গঠিত হয় - ৩টি (১ম - ড. কুদরত ই খুদা শিক্ষা
কমিশন -১৯৭২ এবং সর্বশেষ - জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী শিক্ষা কমিশন-২০১০।)
·
বর্তমানে নিরক্ষর মুক্ত জেলা - ৭টি। প্রথম
নিরক্ষর মুক্ত জেলা - মাগুরা। প্রথম নিরক্ষরমুক্ত গ্রাম - ঠাকুরগাঁও জেলার সালান্দা
ইউনিয়নের কুচবাড়ী কৃষ্টপুর গ্রাম।
·
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস - ৮ সেপ্টেম্বর। বিশ্ব শিক্ষক দিবস - ০৫ অক্টোবর। জাতীয় শিক্ষক দিবস -
১৯ জানুয়ারি। মহান শিক্ষা দিবস - ১৭ সেপ্টেম্বর।
·
বর্তমান দেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে-৫০টি।
সরকারি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আছে-১১ টি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে-১০৮টি। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় - ৬ টি। মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের
সংখ্যা -৫ টি। আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা - ২ টি। ক্যাডেট কলেজ-১২ টি। ( এরমধ্যে - ৩ টি গার্লস ক্যাডেট
কলেজ।)
·
জাতীয় বাজেট ২০২১-২২ অনুযায়ী, সাক্ষরতার হার - ৭৪.৭%। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুযায়ী, সাক্ষরতার হার
(৭+ বয়স) - ৭৫.২%। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
হিসাব অনুযায়ী, সাক্ষরতার হার - ৭৫.২%।
·
গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হয়, মাধ্যমিকে - ২০০১
সালে এবং উচ্চ মাধ্যমিকে - ২০০৩ সালে। দেশে
বর্তমান PTI এর সংখ্যা - ৬৭টি। PTI নেই - ঢাকা জেলায়।
বিভিন্ন
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে ক্লাস রেকর্ডিং করে
কিশোর বাতায়ন, শিক্ষক বাতায়ন এবং ইউটিউব ভিডিও আপলোড করে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা
করছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও অনলাইনে স্কুল পরিচালিত হচ্ছে।
করোনার
কারণে ১৭-০৩-২০২০ থেকে বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়, ৩১-০৩-২০২১ চালু
।
প্রাথমিক শিক্ষা
প্রাথমিক শিক্ষা বলতে প্রথম-পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাকে
বোঝায়। বাংলাদেশে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার বয়সসীমা ৩-৫+ বছর। শিক্ষাবছর শুরু হয়
জানুয়ারি মাসে আর শেষ হয় ডিসেম্বর মাসে। । বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষার বয়সসীমা
৬-১০+ বছর। প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য ১৩টি। । প্রাথমিক শিক্ষার প্রান্তিক যোগ্যতা
২৯টি।
প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা
বিদ্যালয়ে যাবার জন্য তৈরি হচ্ছে যেসব শিশু যাদের বয়স ৩-৫ বছর
সেসব শিশুরা ২ বছরের প্রাক্ প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ পাবে,প্রতিটি বিদ্যালয়ে এক
বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু রয়েছে। ১ জানুয়ারি ২০২০ দুই বছর মেয়াদি
প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা চালুর অনুমোদন হয়। । ২০২০ সালের APSC-এর প্রতিবেদন
অনুযায়ী, প্রাক প্রাথমিক শ্রেণিতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩৯,৪৭,৮৫২ জন। যার
মধ্যে মেয়ে শিশু ৫০.৩০%।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
শিক্ষক ও শিক্ষার্থী পরিসংখ্যান
v স্থুল সংখ্যা ৬৫,৫৬৬টি।
v শিক্ষক > মোট : ৩,৬৭,৪৮০ • মহিলা: ৬৪.২%।
v শিক্ষার্থী > মোট : ১,২৪,২১,৭৮২ • মহিলা: ৫২.৩%।
উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
মন্ত্রণালয়
ইংরেজি নাম : Ministry of Primary and Mass Education
(MoPME)। ২ জানুয়ারি ২০০৩।
পূর্বনাম: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগ, গঠন: আগস্ট ১৯৯২।প্রতিমন্ত্রী
: মো. জাকির হোসেন; ৭ জানুয়ারি ২০১৯-বর্তমান।
অধীন দপ্তরসমূহ :
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) : Directorate of Primary Education
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো (BNFE) : (Bureau of Non-Formal Education)
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE); (National Academy for Primary Education) ময়মনসিংহ
বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট
(CPEIMU) Compulsory Primary Education Implementation Monitoring Unit
শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট (CWT)। child
welfare trust
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
ইংরেজি নাম : Directorate of Primary Education (DPE)। ↑ প্রতিষ্ঠা: ১৯৮১ সদর দপ্তর : মিরপুর-২, ঢাকা। প্রথম
মহাপরিচালক ডক্টর হাফেজ আহমদ (ভারপ্রাপ্ত)।বর্তমান মহাপরিচালক : আলমগীর মুহম্মদ
মনসুরুল আলম।
প্রাথমিক টিচার্স ট্রেনিং
ইনস্টিটিউট (PTI):
পূর্ণরূপ : Primary Teachers Training
Institute বর্তমানে দেশে মোট PT। ৬৮টি
সরকারি : ৬৭টি, বেসরকারি ১১টি।
সংবিধানে শিক্ষা
শিক্ষা সংক্রান্ত সংবিধানিক অঙ্গীকার ব্যক্ত হয়েছে - ১৭নং অনুচ্ছেদে
(অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা)। সংবিধানে মানুষের ৫টি মৌলিক উপকরণের কথা উল্লেখ আছে
- ১৫(ক) অনুচ্ছেদে। (অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসা)।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে বৈষম্য না করা ২৮(৩) অনুচ্ছেদ।
উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা
বয়স্ক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য শিক্ষাকে উপ আনুষ্ঠানিক
শিক্ষা নামে আখ্যায়িত করা হয়।বাংলাদেশে উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা চালু হয় - ১৯৯১ সালে। খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচি চালু হয় - ১৯৯৩
সালে । এছাড়াও সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য বিশেষ
শিক্ষার সুযোগ। উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো প্রতিষ্ঠিত হয় ১৪ এপ্রিল ২০০৫।
অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক
শিক্ষা
অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা
আইন বাস্তবায়ন ও মনিটরিং ইউনিট (Compulsory Primary Education Implementation
Monitoring Unit (CPEIMU) গঠিত হয় ১৯৯০ সালে, ১ জানুয়ারি ১৯৯২ প্রাথমিকভাবে ৬৮টি
থানায় বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন করা হয় । দেশব্যাপী বাধ্যতামূলক
প্রাথমিক শিক্ষা চালু হয় ১ জানুয়ারি ১৯৯৩। প্রাথমিক শিক্ষাকে অবৈতনিক, সর্বজনীন
ও বাধ্যতামূলক করার জন্য
প্রাথমিক বিদ্যালয়কে
জাতীয়করণ
সর্বপ্রথম ১৯৭৩ সালে ৩৬,১৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও
১,৫৭,৭২৪ জন শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণ করা হয় । দ্বিতীয়বার ২০১৩ সালে ২৬,১৯৩টি
প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১,০৪,০০০ জন শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণ করা হয়।
বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক
১৯৮৩ সাল থেকে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ কার্যক্রম শুরু |
২০১০ সাল থেকে ১০০% নতুন বই প্রদান করা হয়। জাতীয় বই দিবস ১ জানুয়ারি।
বিশেষ তথ্য
v প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প চালু করা হয় ২৮ সেপ্টেম্বর ২০০২ থেকে।
v প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চালু হয় ২০০৯ সাল থেকে । করোনাকালীন। সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও কমিউনিটি রেডিওতে 'ঘরে বসে শিখি' পাঠসম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
v দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং প্রকল্পটি চালু হয় ২০১০ সালে।
v বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০২১ অনুযায়ী, প্রাথমিক
বিদ্যালয়ে যাওয়ার উপযুক্ত বয়সি শিশুদের ৯৫% বিদ্যালয়ে যায়।
সাক্ষরতার হার [সূত্র:
SVRS 2020] ।
সাক্ষরতার হার (৭ বছর+) : ৭৫.২%
পুরুষ: ৭৭.৪% নারী: ৭২.৯%। • বিভাগ > বেশি : বরিশাল
(৮৩.৩%) • কম : কুদরত-এ-খোদা কমিশন ১৯৭৪ সালে সুপারিশ করে। ময়মনসিংহ (৬৫.৩%)।
জেলা > বেশি:
পিরোজপুর (৮৭.৭% ) • কম : জামালপুর (৫৫.১%)।
নারী সাক্ষরতার হার সূত্র : BBS রিপোর্ট ২০২১) • নারী সাক্ষরতার হার ৮৮.৭% • বিভাগ > বেশি খুলনা (৯৪.৭%) • কম :ময়মনসিংহ (৮৩.৭%)। ● জেলা > বেশি : কুষ্টিয়া (৯৬.৬%) • কম : বান্দরবান (৬৭%
wk¶vi wbw`©ó D‡Ïk¨,j¶¨ I
bxwZMZ ZvwM`
১।e¨w³ I RvZxq Rxe‡b ˆbwZK, gvbweK, mvs¯‹…wZK,
weÁvbwfwËK I mvgvwRK g~j¨‡eva cÖwZôvK‡í wk¶v_©x‡`i gb‡b, K‡g© I e¨envwiK Rxe‡b
DÏxcbv m„wó Kiv|
২।gyw³hy‡×i †PZbvq wk¶v_©x‡`i AbycÖvwYZ K‡i †Zvjv
I Zv‡`i wPšÍv-‡PZbvq †`kvZ¥‡eva,RvZxqZv‡eva Ges Zv‡`i Pwi‡Î mybvMwi‡Ki MyYvejxi
(†hgb: b¨vq‡eva, Amv¤úÖ`vwqK-†PZbv‡eva, KZ©e¨‡eva, gvbevwaKvi m‡PZbZv, gy³eyw×i
PP©v, k„•Ljv, mrRxebhvc‡bi gvbwmKZv, †mŠnv`¨©, Aa¨emvq BZ¨vw`) weKvk NUv‡bv|
৩।†`‡ki A_©‰bwZK I mvgvwRK AMÖMwZ mva‡bi Rb¨
wk¶v‡K m„Rbagx©, cÖ‡qvMgyLx I Drcv`b mnvqK K‡i †Zvjv; wk¶v_©x‡`i‡K ˆeÁvwbK
`„wófw½m¤úbœ e¨w³Z¡ wn‡m‡e M‡o †Zvjv Ges Zv‡`i g‡a¨ †bZ…‡Z¡i MyYvejxi weKv‡k
mnvqZv c`vb Kiv|
Öv_wgK wkÿvi D‡Ïk¨
I jÿ¨
১।wkïi g‡b b¨vq‡eva, KZ©e¨‡eva, k„•Ljv,
wkóvPvi‡eva, Amv¤cÖ`vwqK `„wófw½, gvbevwaKvi,mn-Rxebhvc‡bi gvbwmKZv, †KŠZ~nj,
cÖxwZ, †mŠnv`©¨, Aa¨emvq BZ¨vw` ˆbwZK I AvwZ¥K ¸Yvejx AR©‡b mnvqZv Kiv Ges Zv‡K
weÁvb I ms¯‹…wZgb¯‹ Kiv Ges Kyms¯‹vigy³ gvbyl
wn‡m‡e M‡o DV‡Z
DrmvwnZ Kiv|
২।wk¶v_©x‡K Rxebhvc‡bi Rb¨ Avek¨Kxq Ávb,
welqwfwËK `¶Zv, Rxeb-`¶Zv, `„wófw½,g~j¨‡eva, mvgvwRK m‡PZbZv AR©‡bi gva¨‡g
†gŠwjK wkLb Pvwn`v c~i‡Y mg_© Kiv Ges cieZx© ¯Í‡ii wk¶v jv‡fi Dc‡hvMx K‡i M‡o
†Zvjvi h_vh_ e¨e¯’v MªnY Kiv|
No comments:
Post a Comment